বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের মৌলিক প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে দেশের বরেণ্য নেতা তারেক রহমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাঁকে দেশবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সবুজ মিয়া তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, “তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের অধীনে বাংলাদেশের প্রতিটি কোণায় প্রতিষ্ঠিত হবে ন্যায়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার শক্তিশালী ভিত্তি। তিনি শুধু ক্ষমতার প্রতীক নন; তিনি হবেন গণমানুষের বিশ্বাস ও আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। জাতির সর্বস্তরের মানুষ এই নতুন নেতৃত্বের প্রতি গভীর প্রত্যাশা রাখে।”
তিনি আরও বলেন, “এখন সময় এসেছে অতীতের দুর্বলতা ও অনিয়মের অবসান ঘটিয়ে একটি শক্তিশালী, স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ নির্মাণের। তাঁর নেতৃত্বে জনগণ সঠিক বিচার ও আইনের শাসন নিশ্চিত হবে—এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা। কেউ যেন দেশের স্থিতিশীলতা ও ন্যায়বিচার ব্যাহত করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার দৃঢ় অবস্থান নেবে বলেও আমরা আশাবাদী।”
উল্লেখ্য, ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সবুজ মিয়া বর্তমানে যুক্তরাজ্যের দ্য রয়েল নেভিতে কর্মরত। পাশাপাশি তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জাতীয়তাবাদী ফোরাম (যুক্তরাজ্য)-এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, যুবদল নেতা (লন্ডন) এবং বাঞ্ছারামপুর কমিউনিটি (যুক্তরাজ্য)-এর প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বার্তায় আরও জোর দিয়ে বলা হয়েছে, দেশের জনগণ আশা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ পরিচালনায় কড়া নীতি, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং অবিচল আইনের শাসনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেন। জাতির কল্যাণ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং নতুন প্রজন্মের জন্য শক্তিশালী দিকনির্দেশনা প্রদানের ক্ষেত্রে জনগণ তাঁর নেতৃত্বকে অবিচল সমর্থন জানাচ্ছে।
“এটি শুধু একজন নেতার শপথ নয়; এটি একটি জাতির প্রত্যাশার প্রতিফলন। কেউ যেন দেশের স্বার্থে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, কেউ যেন গণতন্ত্রের স্বাভাবিক গতিকে ব্যাহত করতে না পারে—তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সেই দৃঢ় সংকল্প দেখতে চাই,”—যোগ করেন ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সবুজ মিয়া।
নতুন নেতৃত্বের এই শপথগ্রহণ শুধু রাজনৈতিক নয়, এটি একটি সাংবিধানিক ও নৈতিক পুনর্জাগরণের প্রতীক হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের প্রতিটি নাগরিক এখন নতুন আশা, নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এবং নতুন দিশার দিকে তাকিয়ে আছে।
সময়ের বাঞ্ছারামপুর