বাঞ্ছারামপুরে বাড়ছে নামে-বেনামে মিডিয়ার সংখ্যা। এর মধ্যে অনেকগুলোরই নেই কোনো ভিত্তি। নেই সাংবাদিকতার কোনো ছোঁয়া। তবুও মিডিয়া সাজার চেষ্টা করছে এসব পেইজ। তাদের নেই কোনো ওয়েবসাইট কিংবা এডিটিং পলিসি। ছড়ানো হয় ভুয়া তথ্য।
এরমধ্যে সামনে আসে ‘বাঞ্ছারামপুর টাইমস’নামে একটি পেইজ। পুরো মিডিয়ার আদলে তৈরি এই পেইজটি। খোলা হয়েছে গত ২৭ ই মার্চ। সংবাদের তেমন কোনো ভিত্তি না থাকলেও কপি করে আর সংগৃহীত ভিডিও দিয়ে এই কয়েকদিন মিডিয়া সাজার চেষ্টা করছে পেইজটি। তবে তাদের সাথে যোগাযোগের কোনো নম্বর কিংবা তথ্য রাখা হয়নি। মেসেজ দিলেও কোনো উত্তর দেয়া হয় না।
সম্প্রতি এক শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে একটি ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানো হয় পেইজটি থেকে। এরপরই খোঁজ নেয় সময়ের বাঞ্ছারামপুর। পেইজটি কোনো সাংবাদিক দ্বারা পরিচালিত নাকি ভুয়া। অনুসন্ধানে জানা যায় এটি কোনো সাংবাদিক দ্বারা পরিচালিত নয়। বরং বেনামে এর উৎপত্তি। তাদের সাথে যোগাযোগেরও কোনো কিছুই রাখা হয়নি। একাধিক সূত্র নিশ্চিত করে মানুষকে হয়রানির জন্য খোলা হয়েছে পেইজটি।
পরে পেইজটিতে মেসেজে দিয়ে তাদের পরিচয় জানতে চাইলেও সেখানেও কোনো রিপ্লে দেয়া হয়নি।
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মূলধারার অনেক গণমাধ্যমকর্মী। এভাবে নামে-বেনামে ভুয়া পেইজের মাধ্যমে সাংবাদিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বলে মত তাদের। অবিলম্বে ব্যবস্থা নেয়ারও দাবি জানান তারা। পরিচয় ছাড়া এভাবে পেইজ খুলে কোনো কিছু লিখলে তা অনেকটা শঙ্কা জনক বলেও মনে করেন তারা।
বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছে অনেকে।
সময়ের বাঞ্ছারামপুর