ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক ব্যবসা প্রতিরোধে মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করা হচ্ছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশ সুপার শাহ মো. আবদুর রউফ। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এসময় মাদক বিক্রি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন তিনি। এছাড়াও মার্চ মাসে জেলায় কোনো চাঁদাবাজি, ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেনি বলেও পরিসংখ্যান দেখানো হয় সভায়।
সভায় পুলিশ সুপার বলেন, জেলার সীমান্তবর্তী বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের একটি অংশে ৬১টি মাদকস্পট পাওয়া গেছে। যেখানে চাইলেই আপনি ইয়াবা পাবেন। বিজয়নগরের ভয়াবহ অবস্থা, কি অবস্থা তা কল্পনাও করতে পারবেন না। এলাকা, গ্রাম এবং পাড়া-মহল্লা ভিত্তিক মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করা হচ্ছে।
সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১-(নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম.এ. হান্নান বলেন, আগে নাসিরনগর তুলনামূলক ভাবে ভালো ছিলো। এখন এদিক দিয়ে মাদক পাচারের রাস্তা বানাইছে। নাসিরনগরের ধরমন্ডলে মাদকের ব্যবহার বেশি।
সভায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসাইন আকন্দ বলেন, যারা মাদক সম্রাট তাদের গ্রেফতার করার পর জামিন যাতে না পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে।
জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন বলেন, আমরা সবাই জানি কারা মাদক ব্যবসায়ী, চোরাচালানি। কথা হলো বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে?
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ কঠোর হওয়ার বার্তা দেন।
এদিকে সভায় পেশ করা অপরাধ বিবরনীতে দেখা যায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে ১টি, ছিনতাই আর চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেনি। আর চুরির ঘটনা ঘটেছে ১৫টি।
সময়ের বাঞ্ছারামপুর