প্রচারণা পর্ব শেষে এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে হেভিওয়েট দুই প্রার্থী একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন। মঙ্গলবার ( ১০ ফেব্রুয়ারি) পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ তুলেন বিএনপি জোটের প্রার্থী জোনায়েদ সাকি ও জামায়াত প্রার্থী মো. মহসিন।
জোনায়েদ সাকি বলছেন বাঁশের লাঠি দিয়ে কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করছে জামায়াত, আর মহসিন বলছেন ভাঙচুর করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা, হুমকি দিচ্ছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।
ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রশ্ন তুলে জোনায়েদ সাকি অভিযোগ করে বলেন, ‘সারা দেশের মতো বাঞ্ছারামপুরেও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।’
তার দাবি, কিছু মহল পরিকল্পিতভাবে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষ থেকে কেন্দ্র দখলের প্রস্তুতির কথাও শোনা যাচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, একটি দল তার নেতাকর্মীদের ভোটকেন্দ্রে বাঁশের লাঠি নিয়ে আসার আহ্বান, লাঠি মজুদ রাখা এবং উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে, যা নির্বাচনকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
বাঁশের লাঠি দিয়ে কেন্দ্র দখল করা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের জামায়াতের প্রার্থী মো. মহসিন।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করেছে বিএনপি নেতাকর্মীরা, এমন অভিযোগও করেন তিনি।
ভোটের মাঠে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি বলে দাবি করেন জামায়াতের এই প্রার্থী। তিনি বলেন, আমাদের এজেন্টদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছেন প্রতিপক্ষরা।
এসময় জামায়াত নেতাকর্মীদের বাঁশের লাঠি নিয়ে ভোট কেন্দ্র দখলের পায়তারার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মো. মহসিন বলেন, ‘ বাঁশের লাঠি দিয়ে কী আর ভোটকেন্দ্র দখল করা যায়? আপনারাই বলেন! আমাদের সাংগঠনিক ভাবে এমন কোনো উদ্দেশ্য নেই। কে বা কারা করছে তাও জানা নেই।
সময়ের বাঞ্ছারামপুর