আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে ঠাঁই হয়নি বিএনপির দুর্দিনের নিবেদিত প্রাণ ফারুক আহমেদের। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ ফারুক আহম্মেদ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা।
বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশের অনুসারীদের নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ভাবে রাখা হয়নি। একটি কুচক্র মহল সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইউনিয়নের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মতামত সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করেছে।
বিএনপির ত্যাগী নেতা ফারুক আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, তোমরা যখন আওয়ামী লীগের লুঙ্গির নিচে। আমি ফারুক তখন চেয়ারম্যান পোষ্টারিং করি। তোমরা যখন, আওয়ামী লীগের সাথে মিলে একাকার বিজনেস নিয়ে ব্যাস্ত, তখন আমি ফারুক দলের জন্য হাজার হাজার টাকা খরচ করি। যখন তোমরা আওয়ামী লীগের সাথে মহা বড় আওয়ামী লীগ, তখন আমি ফারুক, মিটিং মিছিলের জন্য গাড়ি, খানা সব কিছু আয়োজন নিয়ে ব্যাস্ত। যখন তোমরা আওয়ামী লীগ, তখন আমি ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপি টা কে ধরে রেখেছি।
ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ উজ্জল এক পোস্টে বলেন, ‘কতরফা লিস্ট দিবেন আবার ঐক্যের কথা বলবেন এটা কেমনে সম্ভব। পলাশ ভাইয়ের লোকদের কিসের দায়িত্ব এমন কথা ও বলেন আবার কল দিয়ে আড্ডাও দেন। বেইমান দেখতে মানুষের মতোই হয়।
যারা এই কাজটা করছেন তাদেরকে ঘৃণা করি মন থেকে।’
বিএনপির অনেক সমর্থককেও ত্যাগী নেতা ফারুক আহম্মেদকে কমিটিতে রাখার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে এমন কাজকে প্রত্যাখানও করেন তারা।
ফারুক আহমেদ আরেকটি পোস্টে বলেন, কেন্দ্র থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল—আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু ও শক্তিশালীভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে তৃণমূলের পরীক্ষিত, ত্যাগী ও সক্রিয় নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করতে হবে। অথচ অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনকভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সেই নির্দেশনাকে ইচ্ছাকৃতভাবে উপেক্ষা করে একটি কুচক্র মহল সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইউনিয়নের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মতামত সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করেছে।
আরও নিন্দনীয় বিষয় হলো—ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সাথে কোনো ধরনের আলোচনা বা পরামর্শ ছাড়াই সাবেক এমপি এম এ খালেক সাহেব কে ব্যবহার করে একতরফাভাবে তথাকথিত ইউনিয়ন কমিটির নাম প্রস্তাব আকারে জোট প্রার্থী জনাব জুনায়েদ সাকি সাহেবের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনা কোনোভাবেই অনিচ্ছাকৃত নয়—এটি স্পষ্টভাবে একটি চক্রান্তমূলক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও গণতন্ত্রবিরোধী পদক্ষেপ।
আমরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই—
ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের তৃণমূল নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে গঠিত কোনো কমিটি আমরা মানি না।
এই ধরনের একচেটিয়া ও স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত ইউনিয়নের ঐক্য ও নির্বাচনী প্রস্তুতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা হলেন
ডাক্তার বাবুল ০১৭৫১-০৪৫৯৬০
আলোক মেম্বার ০১৯৯০-৪৬৮১৯০
নূর মোহাম্মদ ০১৭৮৮-৬৭৭৭৫১
আলী চেয়ারম্যান ০১৯২৫-১৬৮৬৮০
নিজাম উদ্দিন ০১৭৩৯-২৯৩৩০৩
ইদ্রিস মেম্বার ০১৭২৭-২৩১১৬১
মিলন সরকার ০১৭৪৪১০৬০৬৪
লিপটন ০১৮৫০-২০২৫৫১
হক মোল্লা ০১৭৩০-৯৩৮২১৫
টিটু ০১৭৮৮৫০৫২৫২
আলমগীর ০১৯২৭-৫৩৯৪৯৩
জিসান রহমান ০১৭১১-১৪০১৮৭
নূরুল ইসলাম ০১৯১১৮০৬৬৭৮
জাকির হোসেন ০১৯২৫-৭৭৯৪৭৬
নিজাম উদ্দীন মেম্বার ০১৭৩২ ২৭৬৯৩২
শাহ আলম ০১৭৯৭-৬৬১৩৮১
আলী চেয়ারম্যান ০১৯২৫১৬৮৬৮০
রেজাউল হক রাব্বি ০১৮৯৪-৮১৪০৬৪
পিয়াস আহমেদ ০১৬৭৫-৭৩২৭২২
সময়ের বাঞ্ছারামপুর