বাঞ্ছারামপুরের ঐতিহ্যবাহী একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রূপসদী বৃন্দাবন উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বের সাথে দেশের বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করে মুখ উজ্জ্বল করেছেন বাঞ্ছারামপুরের। শিল্প, সাহিত্য, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সামরিক-বেসামরিক অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন রয়েছেন এই বিদ্যাপীঠ থেকে বের হওয়া শিক্ষার্থীরা। তারা সবাই যেন একই যেন সূত্রে গাঁথা।
সমাজ, শিক্ষা ও দেশকে আলোকিত করতে এক মেলবন্ধনে থাকেন তারা। যোগাযোগের নেই কমতি। নিজেদের এলাকাকে কী করে আলোকিত করা যায় সেই চিন্তায় বিভোর থাকেন প্রাক্তনরা।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর নবীনবাগে হয়ে গেল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের কোর কমিটির সভা।
এই সভা যেন এক মিলন মেলায় পরিণত হয়েছিল। এতে যোগ দেন বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। নিজেদের অগ্রযাত্রার নানান দিক তুলে ধরেন তারা।
একত্রে মিলিত হতে পেরে অনেকেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে একে অপরের নেন খোঁজ।
আগামীর অগ্রযাত্রায় সব সময় এই মেলবন্ধনে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা ।
এতে সভাপতিত্ব করেন ১৯৬৭ ব্যাচের জনাব কর্নেল (অব.) শাহ্ মুর্তুজা আলী, সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন ১৯৮০ ব্যাচের জনাব ড. সেলিম রেজা , অতিরিক্ত সচিব (অব.), সঞ্চালনায় ছিলেন ১৯৯০ ব্যাচের জনাব ড. এ এফ এম আমির হোসেন, যুগ্ম সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং ১৯৯১ ব্যাচের মোহাম্মদ নুরে আলম, উপ পরিচালক, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।
এছাড়া গঠনমূলক বক্তব্য প্রদান করেন ১৯৬৮ ব্যাচের জনাব বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইঞ্জিনিয়ার মো. শফিকুর রহমান এবং একই ব্যাচের পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রাক্তন পরিচালক জনাব মো. শাহাদাত হোসেন, স্কুল প্রতিষ্ঠাতার বংশধর ১৯৭১ ব্যাচের জনাব ইন্দ্র ভৃষন রায়, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কেয়ার বাংলাদেশ, ১৯৭৯ ব্যাচের বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা: (অব:) এ কে মাহবুবুল হক, পরিচালক, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ এবং ১৯৮২ ব্যাচের জনাব মো: আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং স্কুলের অনেক প্রাক্তন সদস্য বৃন্দ।
সময়ের বাঞ্ছারামপুর