বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মীর হালিম সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার খাউড়পুর গ্রামে।
রাষ্ট্রের এমন দায়িত্বশীল পদে আসীন হওয়াতে তার এলাকায় বইছে আনন্দের বন্যা। সুধী মহল থেকে শুরু করে রাজনীতিবীদ ও বিভিন্ন পেশাজীবী শ্রেণির মানুষ তাকে জানাচ্ছেন শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
তারা বলেন, আমাদের এলাকার একজন কৃতিত্বপূর্ণ ব্যাক্তি মীর হালিম। সমাজের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের পাশে থাকেন সর্বদা। মানবাধিকার, সাহিত্য-সংস্কৃতি থেকে শুরু করে সব মহলে সমান পদচারণায় রয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আরো বড় সুযোগ হয়েছে এখন তার। বাঞ্ছারামপুরের মানুষ হিসেবে আমরা অনেক আনন্দিত। দেশ ও জাতির কল্যাণ বয়ে আনবেন এমনই প্রত্যাশা আমাদের।
মীর হালিম বলেন, সংবিধান সমুন্নত রাখা ও রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত থাকা আমার অঙ্গীকার। মানুষের ভালোবাসায় পথ চলতে চাই জীবনের পথে। রাষ্ট্রের এমন গুরুত্ববহ পদে আসীন হওয়া আমার জন্য সৌভাগ্যের।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে তিনি অত্যন্ত সফলতার সাথে ২০০৭ সালে এলএল.বি. (অনার্স) এবং ২০০৮ সালে এলএল.এম. বা মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষাজীবন সমাপ্তির পরপরই আইন পেশার সাথে শিক্ষানবিশ হিসেবে যুক্ত হন। ২০০৯ সালে অ্যাডভোকেট হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত হন।
২০১৫ সালে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি লাভ করেন এবং সেখানে সিনিয়রদের সাথে কাজ শুরু করেন।
২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ই আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামানকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। পরবর্তীতে ১৩ই আগস্ট আইনজীবী আব্দুল জব্বার ভূঁইয়া, অনীক আর হক ও মোহাম্মদ আরশাদুর রউফকে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। এরপর ২৮শে আগস্ট ৬৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৬১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেয়া হয়।
সময়ের বাঞ্ছারামপুর