প্রতিনিয়তই বদলাচ্ছে বাঞ্ছারামপুরের রাজনীতির সমীকরণ! কে যে কার তা বুঝতে করতে হচ্ছে গবেষণা। একেক দিন একেক প্রেক্ষাপটে বদলাচ্ছে এখানকার রাজনীতি। ঐক্যবদ্ধ বিএনপি এখন যেন ভেঙ্গে টুকরো টুকরো।
এরই মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য খালেক পিএসসি জোনায়েদ সাকিকে সমর্থন দিলেও নতুন এক সমীকরণ এবার হাজির হচ্ছে। দলের আংশিক নেতাকর্মীরা জোনায়েদ সাকিকে সমর্থন দিলেও ড. সাইদুজ্জামান কামালকে নিয়ে এবার নতুন পথ শুরু করতে যাচ্ছেন অনেক নেতাকর্মী। দলীয় কোনো পদপদবি না থাকায় বহিষ্কার হতে হয়নি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ড. সাইদুজ্জামান কামালকে। করবেন না প্রার্থীতা প্রত্যাহার।
আর এটিকেই এখন অনেক বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা। তারা বলছেন, কামালই শেষ ভরসা। ওনাকে নিয়েই আমরা মাঠে থাকবো। এ জন্য হয়তো অনেক পিচ্ছিল পথ পাড়ি দিতে হবে, তবে তা থেকে সরে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই।
ড. সাইদুজ্জামান কামালের পাশে এখন আছেন বিএনপি সমর্থিত একটি বড় অংশ। আর তারা সক্রিয় থাকলে বদলে যেতে পারে ভোটের মাঠের রাজনীতি। এমনটাই মনে করছেন অনেকে।
অনেকটা সেইফ জোনে থেকে ড. সাইদুজ্জামান কামালকে পাস করাতে মাঠে নেমেছেন অনেক বিএনপি নেতাকর্মীরা। এ দিকে জোনায়েদ সাকির পক্ষে থাকবেন খালেক পিএসসির সমর্থকরা। সব মিলিয়ে রাজনীতির হিসেবে এখন অনেকটাই অধরা এই আসনটি।
এই বিভেদের সুযোগে বড় ফায়দা লুটতে পারে জামায়াত এমনটাও মনে করছেন অনেকে।
উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পায়নি কেউ। জোটের প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন জোনায়েদ সাকি। এ নিয়ে শুরু হয় নানান সমীকরণ। স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে গিয়ে বহিষ্কার হন খালেক পিএসসি ও মেহেদী হাসান পলাশ নামে দুই হেভিওয়েট প্রার্থী। তবে তারেক রহমানের নির্দেশে খালেক পিএসসি জোনায়েদ সাকিকে সমর্থন দিলে হিসেব অনেকটা সহজ হয়ে দাঁড়ায়। এর মধ্যে পথে কাটা এখন ড. সাইদুজ্জামান কামাল।
সময়ের বাঞ্ছারামপুর