প্রেম-পরিণয়ে আত্মহত্যার সংখ্যা যেন জ্যামিতিক হারে বাড়ছে বাঞ্ছারামপুরে। প্রতিনিয়তই ঝরছে তাজা তরুণ-তরুণীর প্রাণ। শুধুই কি প্রেম? উত্তরে কোনো মারপ্যাচ ছাড়াই বলতে হয়, না! প্রেম-পরিণয়ের পাশাপাশি পারিবারিক চাপ, হতাশা, বেকারত্ব, কিছু চেয়ে না পাওয়াসহ খুব ছোট খাটো কারণে মানসিক অস্থিরতায় পথ হারাচ্ছে এই প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা। সহজ সমাধান হিসেবে জীবনকে শেষ করে রক্ষা পাচ্ছেন তারা।
- গত দুই মাসে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আত্মহত্যার চিত্রটা দেখলে চোখ চড়ক গাছে ওঠার মতো। পরিসংখ্যানে জানা যায় দুই মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আত্মহত্যা করেছেন ১৯ জন।
এর মধ্যে ৪৬.১ শতাংশই তরুণ-তরুণী ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ছাত্রীদের সংখ্যাটাই বেশি। এ হার ৬১ শতাংশ।
এর পেছনে অনিয়ন্ত্রিত আবেগ ও দুর্বল মানসিক স্থিতিশীলতাকে দায়ী করছেন সুধী মহল। বিশেষ করে মেয়েদের অনিয়ন্ত্রত আবেগই এর বড় কারণ। সম্পর্কে জড়িয়ে কিছু দিন পর ঠুনকো কারণেই নিজেদের শেষ করছেন তারা।
এর কারণ নিয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, সফলতা উদ্যাপন করা হলেও ব্যর্থতাকে সামাল দেওয়ার বিষয়টি সমাজে শেখানো হয় না। তিনি সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নজর দিতে অভিভাবকদের আহ্বান জানান।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে ধারণা কম। বিষয়টি নিয়ে তারা সচেতনও নয়। মানসিক স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সময়ের বাঞ্ছারামপুর