বাঞ্ছারামপুরব্রাহ্মণবাড়িয়া

জনপ্রতি ২০ টাকার টিকিট কেটেও দরিয়াদৌলতে সূর্যমুখীর জমিতে ছবি তোলার হিড়িক, ফুলের মূল্য ৪০

সূর্যমুখী ফুল যেন অনেকের কাছে এক আবেগের নাম। সারা বছর সব ফুলের দেখা মিললেও এই ফুলের দেখা সহসা মেলে না। হলুদ পাপড়ির হাসি যেন মনের কোণে তৈরি করে অভূতপূর্ব এক অনুভূতি। আর তা যদি হয় কোনো জমিতে একাধারে ফোটা ফুল, তাহলে তো কোনো কথাই নেই। টিকিট কেটেও সেই দৃশ্য সামনে থেকে দেখতে যান সৌন্দয্য পিপাসুরা। তেমনই চিত্র দেখা যাচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে।

প্রতিবছরের মতো এবারও এই উপজেলায় হয়েছে সূর্যমুখীর চাষ। উপজেলার দরিয়াদৌলত গ্রামে চাষ হওয়া কৃষক আজিজুলের জমি নজর কেড়েছে সবার। তার বাগানে ফুটে থাকা অমায়িক হৃদস্পদন সৃ্ষ্টি করা ফুলের শোভা নিতে ভিড় করছেন অনেকে। আশপাশের গ্রামসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসছেন দর্শক।

তবে আজিজুলের সূর্যমুখী জমিতে প্রবেশ করতে প্রতিজনকে ২০ টাকার টিকিট কেটে ঢুকতে হয়। আর প্রতিটি ফুলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ টাকা।

টিকিট কেটেও সূর্যমুখীর বাগানে ঢুকে অনেকে তুলছেন ছবি। ফুলের সাথে নিজেদের আনন্দের মুহূর্ত শেয়ার করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

দর্শনার্থীরা জানান, ফুলের কোনো মূল্য হতে পারে না। এমন সৌন্দয্য অমূল্য। ২০ টাকা বড় কথা নয়, এমন নয়ন জুড়ানো দৃশ্য কাছ থেকে উপভোগ করতে এর থেকে বেশি টাকা দিতেও সমস্যা নেই।

অন্যদিকে ছোট বেলা থেকেই কৃষির প্রতি ঝোক কৃষক আজিজুলের। পড়াশোনা অল্প হলেও কৃষিতে তিনি অভিজ্ঞ। নিজের মেধা আর পরিশ্রমে ফলিয়েছেন সূর্যমুখী। ফুল বিক্রির টাকায় হচ্ছে লাভ। প্রতিবছর সূর্যমুখী চাষের কথা ভাবছেন তিনি।

তার এমন সাফল্যে তরুণরাও সূর্যমুখী চাষের প্রতি ঝুঁকবেন বলে মনে করছেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।

Related Articles

Back to top button